নিষিদ্ধ লেখিকার নিষিদ্ধ কিছু বই(Free Books Download)।
আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নিষিদ্ধ এবং বিচিত্র এক জীবনের অধিকারী তসলিমা নাসরিনের উল্লেখিত কিছু বই।
তসলিমা নাসরিনের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৫শে আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ শহরে। তসলিমা নাসরিন বাংলা সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেন একজন কবি হিসেবে, তেরো বছর বয়স থেকে তসলিমা কবিতা লেখা শুরু করেন, তবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন নারীবাদী ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনার কারণে। এর কারণে তিনি আবার নিষিদ্ধও হন।। তিনি তাঁর রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, মুক্তচিন্তা, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদ ও মানবাধিকারের প্রচার করায় ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীদের রোষানলে পড়েন ও তাঁদের নিকট হতে হত্যার হুমকি পেতে থাকায় ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন. তসলিমা নাসরিনের সাতটি আত্মজীবনী গ্রন্থের অধিকাংশ বাংলাদেশ ও ভারত সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ হিসেবে ঘোষিত হয়। আমার মেয়েবেলা নামক তাঁর প্রথম আত্মজীবনীমীলক গ্রন্থে ইসলাম ও মুহাম্মাদের প্রতি বিতর্কিত টিউমেন্টের কারণে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হন। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে ক নামক তাঁর তৃতীয় আত্মজীবনী বাংলাদেশ উচ্চ আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এবং বইটি দ্বিখণ্ডিত নামে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশিত হয়, ভারতীয় মুসলিমদের একাংশের চাপে নত হয়ে পশ্চিমবঙ্গেও বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।
তসলিমা নাসরিনের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৫শে আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ শহরে। তসলিমা নাসরিন বাংলা সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেন একজন কবি হিসেবে, তেরো বছর বয়স থেকে তসলিমা কবিতা লেখা শুরু করেন, তবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন নারীবাদী ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনার কারণে। এর কারণে তিনি আবার নিষিদ্ধও হন।। তিনি তাঁর রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, মুক্তচিন্তা, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদ ও মানবাধিকারের প্রচার করায় ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীদের রোষানলে পড়েন ও তাঁদের নিকট হতে হত্যার হুমকি পেতে থাকায় ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন. তসলিমা নাসরিনের সাতটি আত্মজীবনী গ্রন্থের অধিকাংশ বাংলাদেশ ও ভারত সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ হিসেবে ঘোষিত হয়। আমার মেয়েবেলা নামক তাঁর প্রথম আত্মজীবনীমীলক গ্রন্থে ইসলাম ও মুহাম্মাদের প্রতি বিতর্কিত টিউমেন্টের কারণে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হন। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে ক নামক তাঁর তৃতীয় আত্মজীবনী বাংলাদেশ উচ্চ আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এবং বইটি দ্বিখণ্ডিত নামে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশিত হয়, ভারতীয় মুসলিমদের একাংশের চাপে নত হয়ে পশ্চিমবঙ্গেও বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।
তসলিমা নাসরিনের কিছু বই শুধু আপনাদের জন্য।
তার লেখা কিছু বই এর লিংক :
- আরো জন্য বাংলা বই ডাউনলোড করার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন আমি ভালো নেই তুমি ভালো থেকো প্রিয় দেশ
- বন্দিনী
- ভালোবাসো ? ছাই বাস !
- দ্বিখন্ডিত
- কিচ্ছুক্ষন থাকো
- নারীর কোনোও দেশ নেই
- তুই নিষিদ্ধ তুই কথা কইস না
Comments
Post a Comment